জাগপার সভাপতি ও ২০ দলীয় জোটের নেত্রী ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান বলেছেন,২৮ অক্টোবর আ’লীগের নগ্ন তান্ডবে দেশপ্রেমিক জনতার রক্ত মাড়িয়ে রাজনীতিতে ফ্যাসিবাদের অনুপ্রবেশ ঘটেছে।
২৮ অক্টোবর নিহত শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ২৮ অক্টোবর পল্টন ময়দানে আওয়ামী নরপশুদের নারকীয় তান্ডবে সেই দিন ১৩ জন নিরাপরাধ যুবককে নির্মমভাবে লগি-বৈঠা দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। ইতিহাসের কলঙ্কময় রাজনীতি আওয়ামী লীগই সৃষ্টি করেছে। তারা লগি-বৈঠার তান্ডব চালিয়ে ১/১১’র পথ সৃষ্টি করে ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি তৈরী করেছিল। তারই ধারাবাহিকতায় ৫ জানুয়ারির ভোটারবিহীন নির্বাচনে গুলি করে যুব জাগপা নেতা মাসুদ রায়হানসহ শত শত নেতাকর্মীদের হত্যা করা হয়েছে। বিশ্বজিৎকে প্রকাশ্যে হত্যার ইতিহাসও দেশবাসী ভুলে যায় নাই।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে এই হত্যার ধারাবাহিকতা চলতেই থাকে তার শেষ উদাহরণ বুয়েটের আবরারর হত্যা। সুতরাং দেশ ও গণতন্ত্র রক্ষার প্রয়োজনে সকল দেশপ্রেমিক ও যুবশক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে নেমে আসতে হবে।
তিনি আজ ২৮ অক্টোবর সোমবার সকাল ১১ টায় আসাদ গেট জিইউপি মিলনায়তনে যুব জাগপা আয়োজিত ‘২৮ অক্টোবর স্বরণে ও রক্তে লাল মাতৃভূমি শীর্ষক, আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
যুব জাগপার কেন্দ্রীয় সভাপতি আরিফুল হক তুহিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ রহমানের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন জাগপার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আসাদুর রহমান খান, কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি রাশেদ প্রধান, আবু মোজাফ্ফর মোঃ আনাছ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ জামাল উদ্দিন, বেলায়েত হোসেন মোড়ল, সাংগঠনিক সম্পাদক ইনসান আলম আক্কাস, যুব জাগপার সহ সভাপতি মাহিদুর রহমান বাবলা, শাহিনুর রহমান শাহিন, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী সিরাজ, যুব জাগপা ঢাকা মহানগর সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবলু, সহ সভাপতি মোহাম্মদ আলী, সাধারণ সম্পাদক ইসহাক মীর, যুব জাগপা নেতা বিপুল সরকার,সাহাবু উদ্দিন সাবু, আনোয়ার হোসেন, প্রমুখ।
সভা শেষে নিহতদের স্বরণে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
