প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরকে স্বাগত জানিয়ে জাগপা’র সভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান বলেছেন, ভারত আমাদের প্রিয়বন্ধু। প্রভু নয়। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে সরাসরি হস্তক্ষেপের পর থেকেই দিল্লী বাংলার মজলুম জনগণের উপর রক্ত ঢেলে চলছেই। তারা স্বাধীনতা ও জনগণের রাজনীতিকে বিভক্ত করে দেশের ভূখ-কে দখলে নিতে চায়। তারা আমাদের স্বাধীনতা মানতে চায় না।
তিনি বাংলার প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, মনে রাখবেন দাদা ভেবে ইলিশ দিয়ে দিদি হিসেবে লাশ পেলেন। গত ১০ বছরে তারা যা পেয়েছে তাদের আর প্রয়োজন নাও হতে পারে। সাধু সাবধান। তবে তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা চাই। সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতে হবে।
তিনি বলেন, অর্থনীতি লোপাটের নিদারুন বাণিজ্যে মেতেছে আওয়ামী লীগ। ওরা এখন ক্যাসিনো, টেন্ডার ও চাঁদাবাজের দলে পরিণত হয়েছে। সুতরাং লুটেরাদের দুর্নীতির টাকায় যাকাত কবুল হতে পারে না। তিনি দুর্নীতি বিরোধী অভিযানের নামে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার অপচেষ্টা বন্ধের দাবি জানান।
তিনি শফিউল আলম প্রধানের স্মৃতিচারণ করে বলেন, দেশের এই মহাসংকটে শফিউল আলম প্রধানের শূন্যতা দেশ ও জনগণ অনুভব করছে। আসুন আমরা সবাই প্রধানের চিরবিদ্রোহী চেতনায় সংগ্রাম চালিয়ে যাই। দেশ বাঁচাই, মানুষ বাঁচাই। তিনি আজ শুক্রবার বিকাল ৫টায় আসাদ গেট দলীয় কার্যালয়ে প্রধান স্মৃতি পরিষদের নবনির্বাচিত কমিটির নেতৃবৃন্দের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতকালে এসব কথা বলেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জাগপার ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক আসাদুর রহমান খান, সহ সভাপতি রাশেদ প্রধান। প্রধান স্মৃতি পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবু মোজাফ্ফর মোঃআনাছ, সহ সভাপতি মোঃহাসমত উল্লাহ, সাধারন সম্পাদক শেখ জামাল উদ্দিন, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আরিফুল হক তুহিন, সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাবলু,সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃহেলাল, দপ্তর সম্পাদক প্রকৌশলী সিরাজ, নাসির উদ্দিন নিশাত,মো:রাসেল প্রমূখ।
এর আগে প্রধান স্মৃতি পরিষদ আজ বিকাল ৩ টায় জাগপা’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মরহুম শফিউল আলম প্রধানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং সন্ধ্যা ৭ টায় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জাগপার সভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

