জাগপার সহ-সভাপতি ও ২০ দলীয় জোট নেতা রাশেদ প্রধান বলেছেন স্বাধীন এবং মুসলিম অধ্যুষিত বাংলাদেশের ওপর আজ ভূ-তাত্ত্বিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি আগ্রাসন চালানো হচ্ছে| তিনি সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, ভোলার ঘটনা কি হয়েছে সেটা জানতে চাই না।দেশবাসী জানতে চায় কারা আমার প্রিয় নবী কারীম (সঃ)কে নিয়ে অশ্লীল খেলায় মেতেছে? যার জন্য ভোলা আজ মুসলমানদের জন্য আরেকটি কারবালার ময়দানে পরিনত হল। এটি একটি নিছক ষড়যন্ত্রের অংশ।
তিনি বলেন, শুধু তাই নয় আওয়ামীলীগের দীর্ঘ ক্ষমতার ফলে দেশের জনগণ উন্নয়নের নামে সারিবদ্ব লাশ পেয়েছে।বিরোধী মতের নেতারা পেয়েছে মামলার ঝুড়ি আর কারাগার। এটা সত্যিই স্বাধীনতার পেছনে পরাধীনতার ছায়ার খেলা। আজ আমার পতাকা আছে স্বাধীনতা নাই। মাটি আছে উর্বরতা নাই। শিল্প আছে উৎপাদ নাই। সুতরাং এসব খেলা বন্ধ করুন।
তিনি অবিলম্বে ভোলায় নিহতের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ও আহতদের সুচিকিৎসার দাবী জানিয়ে বলেন মামলা দিয়ে ইসলাম ও নবীর প্রেমীদের রুখতে পারবেন না। সাধু সাবধান।
তিনি আজ মঙ্গলবার বিকাল ৫ টায় জাগপা সভাপতি রেহানা প্রধানের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে আসাদগেট দলীয় কার্যালয়ে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
সভায় বক্তব্য রাখেন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আসাদূর রহমান খান, কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি আবু মোজাফফর মোঃ আনাছ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাসমত উল্লাহ ও শেখ জামাল উদ্দিন, যুব জাগপার সহ -সভাপতি মাহিদুর রহমান বাবলা, যুব জাগপার ঢাকা মহানগর সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবলু, জাগপা মজদুর লীগ কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল রাজা, যুব জাগপার নেতা নাসির উদ্দিন নিশাত, জাগপা ছাত্রলীগ ঢাকা মহানগর সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন আমু প্রমুখ|
এছাড়াও ঢাকা মহানগর, চট্টগ্রাম মহানগর, বগুড়া জেলা, পঞ্চগড় জেলা, দিনাজপুর জেলা, ঝালকাঠি জেলা, বরিশাল মহানগর জাগপা নেত্রীর আত্তার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাত করে|বিকাল ৪ টায় বনানীতে রেহানা প্রধানের কবরে প্রধান স্মৃতি পরিষদের নেতারা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।


এছাড়াও আগামী ২৫ অক্টোবর শুক্রবার সকাল ১০ টায়, জাতীয় প্রেস ক্লাবে অধ্যাপিকা রেহানা প্রধান এর স্মরণ সভার আয়োজন করেছে প্রধান স্মৃতি পরিষদ।
