মেজর এম এ জলিল ছিলেন শোষকদের বিরুদ্ধে আপসহীন – ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান

জাগপা সভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান বলেছেন,  মেজর এম এ জলিল ছিলেন অদম্য সাহসীকতার মিনার। স্বাধীনতা সংগ্রামে নবম সেক্টর কমান্ডার হিসাবে তার সাহসীকতা অনস্বীকার্য। আমৃত্যু সংগ্রামী জীবনে তিনি শোষকদের বিরুদ্ধে ছিলেন আপসহীন। ভুলে গেলে চলবেনা, তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাজবন্দী। স্বাধীনতা লাভের মাত্র ১৫ দিন পর, ১৯৭১ সালের ৩১ ডিসেম্বর   একজন সেক্টর কমান্ডারকে গ্রেফতার করা হয়। যার অপরাধ ছিল বাংলাদেশের সম্পদ ও পাকিস্তানিদের ফেলে যাওয়া অস্ত্রশস্ত্র লুটপাট করে ভারতে পাচারকালে ভারতীয় সেনাবাহিনীর গাড়িবহরকে বাধা প্রদান। পাঁচ মাস ছয় দিন বন্দী জীবন যাপন করতে হয় স্বাধীনতা সংগ্রামের নবম সেক্টর কমান্ডারকে, আমাদেরই স্বাধীন দেশে। যুদ্ধপরবর্তী লুণ্ঠন এবং তৎকালীন মুজিব সরকারের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে কথা বলায় স্বাধীনতা সংগ্রামে নবম সেক্টর কমান্ডার মেজর এম এ জলিল কৃতী মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানসূচক উপাধি থেকেও হয়েছেন বঞ্চিত।

মেজর এম এ জলিলের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জাগপা সভাপতি আরও বলেন, মেজর জলিলকে যারা অস্বিকার করেন, মৃত্যুর পরে মেজর জলিলের লাশ দাফনে  যারা অস্বীকৃতি দিয়েছিলেন তারা দেশপ্রেমিক হতে পারেনা। ভুলে গেলে চলবেনা, ইতিহাস বিকৃতির নোংরা খেলা আজও প্রক্রিয়াধীন। মেজর জলিলদের মত মানুষদের ইতিহাস থেকে মুছে ফেলা হচ্ছে। এখনই সময় আমাদের সঠিক ইতিহাস আগামী প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণ করতে হবে।

এদিকে সকাল ৯ টায় জাগপা সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে জাগপা প্রতিনিধি দল মিরপুরে মেজর জলিলের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং মাগফেরাত কামনায় মোনাজাত করেন।