মওলানা ভাসানী স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা – ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান 

জাগপা সভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান বলেছেন,  মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী নিপীড়িত-নির্যাতিত খেটে খাওয়া মানুষের অধিকার আদায়ের প্রাণপুরুষ। তিনি ছিলেন একজন দূরদর্শী নেতা এবং পঞ্চাশের দশকেই তিনি নিশ্চিত হয়েছিলেন যে পাকিস্তানের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ একটি অচল রাষ্ট্রকাঠামো। তাই ৬৯-এর গণ অভ্যুত্থানে তাঁর ভূমিকা ছিল বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। মওলানা ভাসানী ১৯৭০ সালের ২৩শে নভেম্বর পল্টন ময়দানে স্বাধীন পূর্ব পাকিস্তানের ঘোষণা দেন, তিনিই স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা।

১৭ নভেম্বর মওলানা ভাসানীর ৪৪ তম ওফাত দিবস উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জাগপা সভাপতি আরও বলেন,  আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার শুরু থেকেই তিনি তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছিলেন। তাতে কাজ না হওয়ায় আন্দোলনে নামেন এবং শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্ত করেন। তিনি চেয়েছিলেন সকল জনগণের মুক্তি, তাই অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি গড়ে তোলার প্রয়োজনে তিনি “আওয়ামী মুসলিম লীগ” থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দেবার পক্ষে ছিলেন। বলা চলে ওনার উদ্যোগেই শব্দটি পরে বাদ পড়ে। তাঁর রাজনীতির দুটি বড় উপাদান ছিল স্বাধীনতা অর্জন এবং সাম্রাজ্যবাদ বিরোধিতা এবং এই দুই প্রশ্নেই আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে তাঁর সঙ্গে আওয়ামী লীগের মূল নেতৃত্বের বিরোধ তৈরি হয়। যে কারণে পরবর্তীতে তিনি আওয়ামী লীগের সঙ্গেও আর থাকতে পারেননি। মওলানা ভাসানীকে অস্বীকার করার অর্থ বাংলাদেশকে অস্বীকার করা। আগামীতে ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের জন্য আমি সরকারের প্রতি আহবান জানাই।