নির্মম সেনা হত্যাযজ্ঞ মেনে নিতে পারি না – রাশেদ প্রধান

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপা’র সহ-সভাপতি ও রাজনৈতিক মুখপাত্র রাশেদ প্রধান বলেছেন, স্বাধীনতার রক্ত বিলিন সংগ্রামেও এতো গুলো চৌকস সেনা অফিসারদের জীবন দিতে হয়নি। স্বাধীনতার আঙ্গিনায় এসে এমন নির্মম সেনা হত্যাযজ্ঞ মেনে নিতে পারি না। কিন্তু কার স্বার্থে ? কি অপরাধে আমার দেশপ্রেমিক ৫৪ জন সেনা অফিসারকে জীবন দিতে হলো। আজ দেশবাসী জানতে চায়। কারা বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই আমাদের সামরিক বাহীনিকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে? কারা জাতিকে মেধা ও সেনা শূণ্য করতে চায়?

তিনি অবিলম্বে ২৫ ফেব্রুয়ারীকে “শহীদ সেনা দিবস ঘোষণা” ও রাষ্ট্রীয় ভাবে পালনের দাবী জানিয়ে বলেন, আজ দেশে বহু দিবস পালন হয়। কিন্তু “শহীদ সেনা দিবস” রাষ্ট্রীয় ভাবে পালন হয় না কেন? কাদের সেনাবাহিনীর কথা মনে হলে চোখ লাল হয়ে উঠে। আমরা জানি এবং বুঝি। সাধু সাবধান।

তিনি আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ২৫ ফেব্রুয়ারীকে “শহীদ সেনা দিবস ঘোষণা” ও রাষ্ট্রীয় ভাবে পালনের দাবীতে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপা আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন,বাতাসে কান পেতে শুনতে হয় অসহায়, গরীব মানুষের হা হা কার। দুর্নীতির বস্তায় জনগণের অধিকার বেধেঁ রাখা হয়েছে। আজ চাল-ডাল, তেল, মাছ, মাংস’সহ নিত্য পণ্যের ওপর সিন্ডিকেট বসানো হয়েছে। নিম্ন আয়ের মানুষ গুলো দুই বেলা খাবারের জন্য চারদিকে ছুটাছুটি করছে। একটি স্বাধীন দেশের ভাগ্যে এতোটা খারাপ সময় আসবে ভাবতে পারি না।

তিনি ব্যর্থতার দায় নিয়ে সরকারকে পদত্যাগ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন গত বার বছরে জনগণ একটি দিনও স্বাভাবিক জীবন-যাপন করতে পারে নাই। অবিলম্বে পদত্যাগ করুন। জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দিন।

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপা’র সহ-সভাপতি ও রাজনৈতিক মুখপাত্র রাশেদ প্রধান বলেছেন, স্বাধীনতার রক্ত বিলিন সংগ্রামেও এতো গুলো চৌকস সেনা অফিসারদের জীবন দিতে হয়নি। স্বাধীনতার আঙ্গিনায় এসে এমন নির্মম সেনা হত্যাযজ্ঞ মেনে নিতে পারি না। কিন্তু কার স্বার্থে ? কি অপরাধে আমার দেশপ্রেমিক ৫৪ জন সেনা অফিসারকে জীবন দিতে হলো। আজ দেশবাসী জানতে চায়। কারা বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই আমাদের সামরিক বাহীনিকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে? কারা জাতিকে মেধা ও সেনা শূণ্য করে বাংলাদেশকে পঙ্গু রাষ্ট্র বানাতে চায়?

তিনি অবিলম্বে ২৫ ফেব্রুয়ারীকে “শহীদ সেনা দিবস ঘোষণা” ও রাষ্ট্রীয় ভাবে পালনের দাবী জানিয়ে বলেন, আজ দেশে বহু দিবস পালন হয়। কিন্তু “শহীদ সেনা দিবস” রাষ্ট্রীয় ভাবে পালন হয় না কেন? কাদের সেনাবাহিনীর কথা মনে হলে চোখ লাল হয়ে উঠে। আমরা জানি এবং বুঝি। সাধু সাবধান।

তিনি আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ২৫ ফেব্রুয়ারীকে “শহীদ সেনা দিবস ঘোষণা” ও রাষ্ট্রীয় ভাবে পালনের দাবীতে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপা আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন,বাতাসে কান পেতে শুনতে হয় অসহায়, গরীব মানুষের হা হা কার। দুর্নীতির বস্তায় জনগণের অধিকার বেধেঁ রাখা হয়েছে। আজ চাল-ডাল, তেল, মাছ, মাংস’সহ নিত্য পণ্যের ওপর সিন্ডিকেট বসানো হয়েছে। নিম্ন আয়ের মানুষ গুলো দুই বেলা খাবারের জন্য চারদিকে ছুটাছুটি করছে। একটি স্বাধীন দেশের ভাগ্যে এতোটা খারাপ সময় আসবে ভাবতে পারি না।

তিনি ব্যর্থতার দায় নিয়ে সরকারকে পদত্যাগ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন গত বার বছরে জনগণ একটি দিনও স্বাভাবিক জীবন-যাপন করতে পারে নাই। অবিলম্বে পদত্যাগ করুন। জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দিন।

আয়োজিত সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন জাগপা’র সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইকবাল হোসেন, প্রেসিডিয়াম সদস্য আসাদুর রহমান খান, সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ শফিকুল ইসলাম, জাগপা ঢাকা মহানগর সাধারণ সম্পাদক এনায়েত আহমেদ হালিম, সহ-সভাপতি মোঃ নাসির উদ্দিন, মনোয়ার হোসেন খোকা, যুব জাগপা’র সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবলু, ঢাকা মহানগর উত্তর যুব জাগপা’র সভাপতি মোঃ আনোয়ার হোসেন, প্রচার সম্পাদক বিপুল সরকার, মহানগর যুব নেতা আক্তার হোসেন প্রমূখ।