দেশের ভেতরের শত্রুরা বাইরের শত্রুর চেয়ে অনেক বেশি ভয়ঙ্কর! ঐতিহাসিক পলাশী ট্রাজেডি দিবসে ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান

আজ ২৩ জুন, ঐতিহাসিক পলাশী ট্রাজেডি দিবস। বাংলার ইতিহাসের এক অন্যতম কালো অধ্যায়। ১৭৫৭ সালের এই দিনে দেশীয় বণিক, বিশ্বাসঘাতক ও ইংরেজ বেনিয়াদের চক্রান্তে পলাশীর প্রান্তরে প্রায় ২০০ বছরের জন্য বাংলার স্বাধীনতা সূর্য অস্তমিত হয়। ২৬৪  বছর আগে এ দিনে পলাশীর আম বাগানে মাত্র এক ঘণ্টার প্রহসনের যুদ্ধে ইংরেজদের কাছে পরাজিত হন বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার নবাব সিরাজউদ্দৌলা।

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি – জাগপা’র সভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান বলেন, পলাশীর ২৩ জুনের ইতিহাস প্রকৃত সোনার বাংলাকে শ্মশানে পরিণত করার ইতিহাস। ২৩ জুনের ইতিহাস, বিশ্বাসঘাতকতার ইতিহাস। ইতিহাস থেকে দেখা যায়, নবাব সিরাজের সাথে, দেশের সাথে যারা বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল ইতিহাস তাঁদের কাউকেই ক্ষমা করেনি, চক্রান্তকারীদের ভোগ করতে হয়েছে মর্মান্তিক পরিণতি। তাঁদের করুণ পতন ঘটেছে। প্রতি বছর ২৩ জুন আমাদের এই সতর্কবাণী শুনিয়ে যায়, দেশের ভেতরের শত্রুরা বাইরের শত্রুর চেয়ে অনেক বেশি ভয়ঙ্কর। আমরা কি ২৩ জুনের কালো অধ্যায় থেকে আদৌ কোনো শিক্ষা নিতে পেরেছি কি?

তিনি আরও বলেন, এবারও এমন এক সময়ে পলাশী ট্রাজেডি দিবস পালন হচ্ছে যখন বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বকে বিকিয়ে দিয়ে হলেও রাষ্ট্র ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার অপচেষ্টা চলছে। বহু আন্দোলন, রক্তের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্রও আজ বিপন্ন। শান্তিপ্রিয়, গণতন্ত্রপ্রিয় জনগণের ওপর চেপে বসে আছে দুঃসহ স্বৈরশাসক। জাতীয়তাবাদী, ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসীদের ওপর সরকারের উন্মুক্ত খড়গ উদ্ধত। এই কঠিন অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে সবাই মহান রাব্বুল আল-আমিনের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেন।