দলীয় ও ২০ দলীয় জোটের মীরজাফরের কারণে দীর্ঘ ১৬ মাস কারান্তরীণ খালেদা জিয়ার মুক্তি মিলছে না দাবি করে জাগপা’র সহ সভাপতি রাশেদ প্রধান বলেছেন, একজন স্বার্থান্বেষী মীরজাফর নেতার নগ্ন খেলায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ষড়যন্ত্রের আঁকা পথে বন্দী। সুতরাং দেশনেত্রী ও গণতন্ত্রকে মুক্ত করার লক্ষ্যে একটি শক্তিশালী প্লাটফর্মই হচ্ছে জাতীয় মুক্তি মঞ্চ। ইনশাআল্লাহ অচিরেই জাতীয় মুক্তি মঞ্চ আপোসহীন নেত্রী ও ২০ দলীয় জোটনেত্রীকে মুক্ত করে আনবে ইনশাআল্লাহ।
জাগপা’র সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা খন্দকার লুৎফর রহমান বলেন, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান ছাড়া বিএনপি’র এক নেতা জোটকে ঐক্যফ্রন্ট দ্বারা আঘাত করেছেন। যার পরিণতি ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনে জনগণকে দিতে হলো। তিনি জাগপা নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, জাগপার উপর শকুনের নজর পড়েছে। নেতাকর্মীরা সতর্ক থাকুন এবং দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রস্তুতি নিন।
নেতৃবৃন্দ সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, এটা স্বাধীন দেশ। যুদ্ধ বিদ্ধস্ত সিরিয়া নয়। প্রতিদিন পত্রিকার পাতা খুললে মনে হয় বাংলাদেশ এখন খুনের অঙ্গরাজ্য। ঘরে বাইরে ও প্রকাশ্যে খুনের জঘন্য খেলা প্রতিনিয়ত হচ্ছে। এর দায় আপনি এবং আপনার প্রশাসন এড়াতে পারেন না। সুতরাং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দিন।
নেতৃবৃন্দ আজ সকাল ১১ টায় আসাদ গেট জিইউপি মিলনায়তনে যুব জাগপা আয়োজিত জাগপা’র দপ্তর সম্পাদক গোলাম মোস্তফা কামালের স্মরণ সভায় এসব কথা বলেন।
যুব জাগপার সভাপতি আরিফুল হক তুহিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ রহমানের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন জাগপা’র সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুৎফর রহমান, সহ সভাপতি রাশেদ প্রধান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুর রহমান খান, ইকবাল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ইনসান আলম আক্কাছ, যুব জাগপা নগর সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবলু, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী সিরাজ, জাগপা ছাত্রলীগের নগর সভাপতি মীর আমির হোসেন আমু, যুব জাগপা নেতা ইছাহাক মীর, মোহাম্মদ আলী প্রমুখ।
এসময় জাগপার দপ্তর সম্পাদক গোলাম মোস্তফা কামালের স্মৃতিচারণ করে নেতৃবৃন্দ তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া মোনাজাত করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন মরহুমার সহধর্মিনীসহ পরিবারের সদস্যবৃন্দ।
